সুবর্ণ জয়ন্তী আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০১৯

প্রকাশনার তারিখ : শুক্রবার ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:০২:৩৫ পূর্বাহ্ন

৮ অক্টোবর, ২০১৯ স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক ও সুবর্ণজয়ন্তী উৎযাপন কমিটির আহ্বায়ক জনাব আব্দুর রশিদ স্যারের সভাপতিত্বে স্কুলের টিচার্স রুমে কার্য নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় । সভায় যাবতীয় কর্মকান্ড ও অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। আগামী ২০ ও ২১ ডিসে: অনুষ্ঠানের নির্ধারিত দিনে দেশের একটি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের জাতীয় কাউন্সিল এর ডেট ঘোষিত হওয়ায় আমাদের অনুষ্ঠানের ডেট পরিবর্তন করা হবে কি না তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ডেট পরিবর্তন না করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং নির্ধারিত দিনে অনুষ্ঠান সফল করার জন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করা হয় । প্রধান শিক্ষক জানান স্কুলের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে, ডিসেম্বরেও কাজ চলবে তবে অনুষ্ঠানের পূর্বে দৃশ্যমান এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য যথাসাথ্য চেষ্টা করার জন্য জোর সুপারিশ করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহীর মাননীয় মেয়র এবং সমাপনী দিনে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রন জানাবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় । উল্লেখ্য, মাননীয় মেয়র ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে জানানো হয় । এছাড়া অন্যান্য যাদেরকে আমন্ত্রন জানানো যেতে পারে তাদের একটি তালিকা তৈরি করা হয় । সুবর্ণ জয়ন্তী স্পিকার হিসেবে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার এর নাম এবং তিনি অপারগতা প্রকাশ করলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর অব এমিরেটস অরুণ কুমার বসাক স্যারের নাম প্রস্তাব করা হয় এবং এতে সবাই সম্মতি জ্ঞাপন করেন। স্কুলের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে বিভিন্নভাবে অবদান রাখার জন্য রাজশাহী টিটি কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল , পরবর্তীতে টেক্সট বুক বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব এলতাসউদ্দীন স্যারকে স্মরণ করা হয় এবং তাঁকে গেষ্ট অব অনার হিসেবে আমন্ত্রন জানাবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া প্রকাশনা কমিটি পূণর্গঠন করা হয়। আহ্বায়ক হিসেবে স্কুলের শিক্ষক জনাব আব্দুর রব সিদ্দিকী এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আতিকুর রহমান লাবু এবং প্রফেসর হেদায়েতুল ইসলাম চন্দন উভয়ের নাম প্রস্তাবিত হয় এবং সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে কমিটির সদস্য সচিব ডা: হাবিবুল ইসলাম বিভিন্ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কদের নাম ঘোষণা করেন এবং তাদের হাতে উপ-কমিটির সদস্য তালিকা হস্তান্তর করেন এবং অবিলম্বে কাজ শুরু করার জন্য অনুরোধ করেন । প্রয়োজনে কিছু সংযোজন বিয়োজন করা যেতে পারে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন । পরিশেষে প্রধান শিক্ষক সাহেব তাঁর বক্তব্যে বলেন - আমাদের স্কুল দেশের অন্যতম সেরা স্কুল । এই স্কুলের ৫০ বছর পূর্তির প্রোগ্রামটিকে সেরা প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করতে কমিটিতে নাম থাক বা না থাক , সবাইকে যে যার অবস্থান থেকে , সকল দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে একসাথে কাজ করতে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।